Rejected Love Proposal Culminated in Heinous Retaliation

Rejected Love Proposal Culminated in Heinous Retaliation
Date: 20th March, 2021

Two young 18 years old garment factory workers, Reshma Akter Sufia and Swapna Akter were
at the helm of an acid attack stemmed from revenge, on the eve of 20th March 2021. Revenge
for what? For refusing the ‘love’ proposal of a 19-year-old man, named Mehedi Hasan. Yes,
that is indeed the only reason these young women in Narayanganj were attacked and found
themselves in the hospital with severe burns. Reshma was burned neck down to her lower
back, and Swapna found her arms to be burnt. Further investigation found that Reshma was
his main target, as he had made a proposal to her, and her friend Swapna unfortunately
became part of the collateral damage. As Reshma rejected his proposal and turned away, she
felt the attack on her back, which consequently splashed across her friend’s elbows too.
Reshma’s only ‘crime’ was that she exercised her right of free will and refused the man’s
proposal. Mehedi, whose masculinity was so threatened at the mere sight of a girl rejecting
his advances, resorted to the ultimate form of torture and violence upon the woman. His
fragile masculinity could not handle any rejection from a woman, and apparently the only way
he knew to retaliate was to impair her physically.

The attack took place in Shashongaon area, near the Fatulla police station. The accused,
Mehedi Hasan, also lived in a rented house in the area. Upon getting further details from the
police, it was learned that Reshma was a neighbour with her attacker, Mehedi as she lived
next door to him in Fulgach village in the Lalmonirhat Sadar Upazila.
Reshma’s father Solaiman Ali became the plaintiff and lodged a complaint in the nearby
Fatullah model Police Thana. According to the investigation officer Safiqul Islam, Mehedi
Hasan was arrested on March 22, 2021.

Reshma had to quit her job as a garment worker and moved back to her family home in
Lalmonirhat, because she could not otherwise bear the treatment expenses. She is currently
being treated for her burns in a local government hospital, however her family said they could
not financially afford to appear in court and fight a case against her attacker.
ASF got whiff of this incident from the local hospital’s acid monitoring unit and have since
spoken to Reshma’s father to confirm and learn more details about the attack. ASF have
assured the family of the survivor that any medical and legal assistance will be provided to
them to help Reshma overcome this trauma and injustice.

This is one of many stories that take place in many places and throughout the year. May we
join them in creating a healthy environment for women and girls?

ASF organized a one day in-house workshop on “TEAM BUILDING”

ASF organized a one day in-house workshop on “TEAM BUILDING”

ASF organized a one day in-house workshop on “TEAM BUILDING” held on 21st november,2020. Mr. Alison Subrata Baroi, Joint Director of DSK, is the facilitator of the workshop. The workshop mainly focused on employee motivation, positive attitudes or practices in work place and also emphasised on capacity building and team work during crisis situation.
It was a wonderful workshop. Thanks to Mr Alison Subrata Baroi for motivating us to work more enthusiastically and positively.

‘‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও মিডিয়ার ভূমিকা’’ শীর্ষক বিষয়ে আলোচনা সভা

‘‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও মিডিয়ার ভূমিকা’’ শীর্ষক বিষয়ে আলোচনা সভা

আজ রোজ বুধবার দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় পুরুষ এবং ছেলেদের সংযুক্তিকরণ নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা হ্রাসকরণ, নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে মিডিয়া তথা সাংবাদিক, সংবাদ সংস্থা (প্রিন্ট, ইলেক্ট্রেনিক্স), এর সাথে ‘‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, বর্তমান প্রেক্ষাপট ও মিডিয়ার ভূমিকা’’ শীর্ষক বিষয়কে সামনে রেখে আলোচনা সভা পরিচালিত হয়।

জেন্ডারভিত্তিক ন্যায়বিচারের প্রচার: পুরুষ এবং ছেলেদের সংযুক্তিকরণ নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্র্যাক এর সহযোগিতায় ও এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে এই মিডিয়া মোবিলাইজেশন সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব সর্দার জাহাঙ্গীর হোসেন, নির্বাহী পরিচালক, এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করে এমন সমমনা প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক (প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক্স/অনলাইন) ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জনাব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর তিনি সংক্ষিপ্ত প্রকল্প পরিচিতি ও মিডিয়া মোবিলাইজেশন-এর উদ্দেশ্য এবং কেন পুরুষ ও বালকের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন তা উপস্থাপন করেন।
পরবর্তীতে উম্মুক্ত আলোচনা শুরু হয়। এতে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডার ভিত্তিক যে সহিংসতা গুলি হচ্ছে সে বিষয়গুলি পরিলক্ষিত হয়। আলোচনার মধ্য দিয়ে আগত সাংবাদিকবৃন্দ এই পরিস্থিতে কি কি করণীয় রয়েছে সে বিষয়ে গঠনমূলক পরামর্শ প্রদান করেন। তাদের মতে, নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে পারিবারিক শিক্ষা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের ভূমিকা, জাতীয় মিডিয়া সংস্থাসহ সকল মিডিয়ার কার্যকর ভূমিকা, বাবা-মায়ের ইতিবাচক আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, জেন্ডার সমতা এবং নৈতিক শিক্ষা, এই বিষয়গুলির উপর জোর দেওয়া। এছাড়া কিশোর ও যুব সমাজকে জেন্ডার এবং সহিংসতা প্রতিরোধ বা এর বিরুদ্ধে সচেতন এবং সংবেদনশীল করার জন্য প্রয়োজনীয় কর্মশালা, প্রশিক্ষণ এবং ক্যাম্পেইন আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সর্বোপরি আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন এবং সেই সাথে অপরাধী ও তার পরিবারের দুর্দশা এবং নেতিবাচক পরিনতি সমাজের সামনে তুলে ধরার বিষয়েও আলোকপাত করেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্য প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন তাহমিনা ইসলাম, কো-অর্ডিনেটর- কেস এ্যান্ড পার্টনারশীপ ম্যানেজমেন্ট।
“নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে’ সুশিল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা”

“নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে’ সুশিল সমাজের সাথে মতবিনিময় সভা”

অদ্য ১৯.১০.২০২০ রোজ সোমবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় জেন্ডারভিত্তিক ন্যায়বিচারের প্রচারঃ পুরুষ এবং ছেলেদের সংযুক্তিকরণ নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্র্যাক এর সহযোগিতায় ও এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে জনাব, সর্দার জাহাঙ্গীর হোসেন (নির্বাহী পরিচালক, এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন) এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন জনাব আলহাজ্ব আবুল কাশেম, কাউন্সিলর, ওয়ার্ড ৩০, আদাবর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের দুইজন প্রতিনিধি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করেন এমন সমমনা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, এবং কমিউনিটির জনগণ।
সভায় আমন্ত্রিত অতিথিরা নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধে কয়েকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। সরকারি এবং বেসরকারি অংশীজনদেরকে নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালনে জোর প্রদান করেন। বিচারের ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত ফলো-আপ করা এবং বিচার কার্যক্রমকে দ্রুত পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রত্যেককে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দেন। এছাড়া, নির্যাতন প্রতিরোধে সেক্স এডুকেশন, নৈতিকতা, জেন্ডার সমতার বিষয়গুলো পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভূক্তিকরণের ভূমিকাও তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের সবার নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে। বাস্তবমুখী ভাবনা করতে হবে। নির্যাতনের শিকার যেন কেউ না হয় এবং সেই সাথে নির্যাতনের এই বিষয় নিয়ে যেন কেউ সুযোগ না নেয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রচলিত ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে সবাইকে একসাথে নারী ও শিশুর প্রতি নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে। এছাড়াও তিনি বলেন যে, নারীর প্রতি সমাজের ভুল ধারণা এবং ধর্মীয় অপব্যাখ্যার জায়গাও পরিবর্তন আনতে হবে এবং যেকোন নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধীকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধী যেন কোন ভাবেই আইনের অধিকার নিয়ে লড়তে না পারে সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
এসিড সারভাইভারস ফাউন্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক কিছু সুপারিশ করেন যেগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সুপারিশসমূহের মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে পুরুষ ও ছেলেদের সংযুক্তিকরণ, বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতার পরিবর্তন, পরিবারসহ সমাজের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারিকুলামে সেক্স এডুকেশন, নৈতিকতা শিক্ষার প্রচলন উল্লেখযোগ্য।