বুধবার প্রত্যয় উন্নয়ন সংস্থার মিলনায়তনে জেন্ডার ভিত্তিক ন্যায় বিচারের প্রচার:

বুধবার প্রত্যয় উন্নয়ন সংস্থার মিলনায়তনে জেন্ডার ভিত্তিক ন্যায় বিচারের প্রচার:

পুরুষ এবং ছেলেদের সংযুক্তিকরণ নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্র্যাক এর সহযোগিতায় ও এসিড সারভাইভরস ফাউন্ডেশন (এএসএফ) এর আয়োজনে নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সুশিল সমাজের প্রতিনিধি ও সেবাপ্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী জিয়া উদ্দিন আহমেদ এর সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার জাকিয়া আফরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আদর্শ সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ শাহাদাৎ ইসলাম। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন এর কুমিল্লা শাখার সভাপতি ডাঃ মোঃ মোসলে উদ্দিন, জেলা দুর্নিতী প্রতিরোধ কমিটির সাধরন সম্পদাক আলহাজ শাহ মোঃ আলমগীর খান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি জহিরুল হক দুলাল, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) কুমিল্লার সভাপতি বদরুল হুদা জেনু, প্রেসক্লাব এর সাবেক সভাপতি আবুল হাসনাত বাবুল, সুজন কুমিল্লার সাধারন সম্পাদক আলী আকবর মাসুম, পেইজ কুমিল্লার নির্বাহী পরিচালক লোকমান হাকিম, এইড কুমিল্লার নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া বেগম শেফালী, হলদিয়ার নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা আক্তার, সৃষ্টি সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সালমা আক্তার, দৃষ্টি কুমিল্লার প্রকল্প পরিচালক মোঃ আলী আজম, হলদিয়ার সভাপতি আবু তাহের রনি, দিয়া’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম, বøাস্ট কুমিল্লা ইউনিট এর সমন্বয়কারী এডভোকেট শামীমা আক্তার জাহান, জিসার নির্বাহী পরিচালক, মোঃ আলমগীর হোসেন, ট্যানিকেল ম্যানেজার মোঃ আনোয়ার হোসেন, এএসএফ এর প্রোগ্রাম অফিসার (লিগাল) শাহ মোঃ মুহিব্বুল্লাহ, প্রোগ্রামম্যানেজার মোঃ মহিন উদ্দিন প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রত্যয় উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা আক্তার। অফিসার তাহমিনা ইসলাম, প্রত্যয় উন্নয়ন সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল আহাছান । ব্র্যাক এর ডিভিশনাল ম্যানেজার মোঃ মহিন উদ্দিন প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং উক্ত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রত্যয় উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা আক্তার।

Your small contribution may help Rina begum’s early recovery: a rice mill worker burnt by acid

Your small contribution may help Rina begum’s early recovery: a rice mill worker burnt by acid

“A new acid burn victim Rina Begum (42 years) was burnt on Saturday 11 July 2020 by her ex-husband Illias Hossain. Now she has been admitted at Dhaka Medical College and Hospital with 19% burnt. With the support of ASF now patients have been admitted at Sheikh Hasina national burn Institute. Her physical condition is stable but her eyes are not in good condition. She needs support for her treatment to come back to the previous stage.

She has been burnt 19% according to the DMCH and her two eyes are fully affected. From face to knee the whole body has been burnt brutally. After the incident she has been admitted to Jessore Medical Hospital and the medical team referred her to DMCH. But due to the financial crisis it was too hard for them to bear the ambulance service and other essentials. After immediately seeing the news at the daily newspaper Acid Survivors Foundation (ASF) came forward to support her. ASF contacted the local law enforcement department and hospital authority and took details of her and immediately connected with her family.

She has 3 daughters and a boy aged 12 years. Her daughters are married and have children too. They will not be able to stay at the hospital with their kids. So, this little boy will now take care of her mother. So, ASF has tried to take care of the boy too. Besides, hospital foods are not enough for the patient. She needs a special diet like eggs, milk, fruits etc. for early and better recovery.

So, your small contribution can save a life. You may help her to purchase food, medicine and may be with small help for her little attendant as well.”

দুর্বৃত্তের ছোড়া ‘অ্যাসিডে’ ঝলসে গেছে শিশুসহ চারজন

দুর্বৃত্তের ছোড়া ‘অ্যাসিডে’ ঝলসে গেছে শিশুসহ চারজন

রাজশাহীর বাগমারায় দুর্বৃত্তের ছোড়া অ্যাসিড–জাতীয় দাহ্য পদার্থে দুই মাসের শিশুসহ একই পরিবারের চারজনের মুখমণ্ডল ও শরীর ঝলসে গেছে। তাঁদের চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ আলামত সংরক্ষণের জন্য দগ্ধ পরিবারের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

ঘটনাটি সোমবার (২২ জুন) গভীর রাতের। দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন শুভডাঙ্গা ইউনিয়নের বাইগাছা গ্রামের আফজাল হোসেন (৩৮), তাঁর স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩২), মেয়ে মলি খাতুন (৮) ও দুই মাসের শিশুকন্যা আফসানা খাতুন।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের খাবার খেয়ে আফজাল হোসেন স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে একই ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। গরমের কারণে ঘরের জানালা খোলা ছিল। রাত দুইটার দিকে দুর্বৃত্তরা জানালা দিয়ে অ্যাসিড–জাতীয় কিছু তরল দাহ্য পদার্থ ছুড়ে মারে। ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা চারজনেরই শরীর ও মুখমণ্ডলে তা পড়ে। সবাই চিৎকার দিয়ে ওঠেন। গড়াগড়ি শুরু করেন। পরে বাবা ও মা তাঁদের সন্তানদের নিয়ে ঘরের বাইরে আসেন। বিছানাপত্রও পুড়ে যায়।

চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে দগ্ধ চারজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান প্রতিবেশীরা। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের ছয় নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দুই মাসের শিশু আফসানা ও তার মা জেসমিনের শরীরে অ্যাসিড–জাতীয় পদার্থ বেশি পড়েছে।

আফজাল হোসেনের ভাগনে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল হোসেন মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর মামার কারওর সঙ্গে বিরোধ ছিল না। দুর্বৃত্তরা কেন এই অমানবিক কাজ করেছে, তা বুঝতে পারছেন না। তবে তাঁর মামার তালাক দেওয়া দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে মাঝেমধ্যে ঝামেলা হতো। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ দেখছেন না। তাঁরা সুস্থ হলে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘরের খাটের বিছানাপত্র পুড়ে গেছে। আলামত যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য ঘরটি তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নমুনা দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, অ্যাসিডই নিক্ষেপ করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল রাজশাহীতে গিয়ে দগ্ধ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেছে। পুলিশ ঘটনাটিকে স্পর্শকাতর হিসেবে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

এই বিষয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দায়িত্বশীল কারওর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তকাজে হাসপাতালে অবস্থান করা হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম চিকিৎসকের বরাত দিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাসিডই নিক্ষেপ করা হয়েছে। চারজনেরই শরীরের বিভিন্ন জায়গা ও মুখমণ্ডল ঝলসে গেছে। তবে দুজনের অবস্থা বেশি খারাপ।

Source: প্রথম আলো

Another victim falls prey to acid violence Chithulia village of Gosaibari union, Bogura

Another victim falls prey to acid violence Chithulia village of Gosaibari union, Bogura

Another victim falls prey to acid violence this year on Wednesday, June 17th, at 2 pm in Chithulia village of Gosaibari union, Bogura; this is the ninth victim this year already.  Ripa Khatun, aged 35, was in the kitchen when she was thrown chemical acid on her back through the fence gap.

The incident was an outcome of a long-running land and court dispute between Ripa and her husband Abu Taher’s cousin named Badshah Miah. Badshah and his gang have made multiple attempts to evict Abu Taher and his family from his place of home through various threats.

According to Dr. Gazi Salahuddin, after the incident, Ripa was initially brought to Dhunat Upazila Health Complex, where she got referred to Shaheed Zia Medical College and Hospital in Bogura Sadar.  Meanwhile, Badsha Miah and his family have all been on the run and not found.

At ASF, while we were starting to feel somewhat hopeful about our declining number of acid attacks in Bangladesh, the reality is that these incidents still take place, and people still feel inclined to take such acts of revenge.


Legal Action:

Kripa Sindhu Bala, the Officer-in-Charge (OC) of Dhunat Police Station, has confirmed for ASF that Badshah and his accomplices have a case filed against them and an investigation is underway.  Abdul Momen Pintu, one of the perpetrators, was detained, and the search for the remaining members continue.  Crime scene evidence and written victim plus witness reports have been gathered.

On the Eid day, the miscreants burnt the sleeping mother and two daughters with acid

On the Eid day, the miscreants burnt the sleeping mother and two daughters with acid

On Eid day (25/05/2020), a heinous acid attack occurred in Laxmipur district under Raipur upazila in Ludhua village. The perpetrator targeted to a mother and her two young daughters, while they were in deep sleep. The victims went to the local hospital for treatment and then referred to the tertiary level hospital for further treatment. The Acid Survivors Foundation expresses a strong solidarity for the victims and committed to provide all required assistance and continuing consultations with the local administration and hospital to ensure immediate medical care and legal support. We request all partners and stakeholders to extend their cooperation and solidary to the victims.
The Victims- no worries, we are by the side of you (Bangla: “Apnar Passhe Amra”).
#ApnarPassheAmra